একটি ভালো আর্টিকেল লিখতে হলে আপনাকে অবশ্যই এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল সম্পর্কে জানতে হবে। একটি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল আপনার কন্টেন্টকে গুগল এর সার্চ রেজাল্টে টপ রেঙ্ক করতে সাহায্য করে। যার ফলে আপনি বেশি বেশি ভিজিটর পাবেন আর আপনার সাইটের ইনকামও বৃদ্ধি পাবে। আশা করি কিছুটা ধারণা দিতে পেরেছি এসইও ফ্রেন্ডলি আর্টিকেল সম্পর্কে।
যদি আপনি আপনার ব্লগের নতুন এবং পুরানো পোস্ট এর SEO করতে চান তাহলে আমাদের এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
পোস্ট টাইটেল :
একটি পোষ্টের SEO করার জন্য সেই পোস্টের টাইটেল সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।তাই পোস্টের টাইটেল দেওয়ার সময় অবশ্যই কিছু স্পেশাল ওয়ার্ড অ্যাড করুন যা ভিজিটরদের পোস্ট পড়ার জন্য আকর্ষন করে। মনে রাখবেন আপনার পোস্টের টাইটেল যত ভালো হবে আপনার পোষ্টের SEO ততবেশি ভালো হবে সুতরাং সর্বপ্রথম আপনার পোস্ট টাইটেল এর উপর focus করতে হবে আর আকর্ষণীয় টাইটেল সিলেক্ট করতে হবে।
পোস্ট ডেসক্রিপশন :
পোস্ট টাইটেলের মতোই পোস্ট ডেসক্রিপশন পোষ্টের SEO করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।আপনি যখন সার্চ ইঞ্জিনে পোস্ট সার্চ করেন তখন অনেক পোস্টের টাইটেলের নিচে পোস্ট লিংক আর কিছু লাইনে ওয়ার্ড দেখা যায় সেটি হলো পোষ্টের description। অধিকাংশ ভিজিটর কিন্তু description দেখে পোস্ট ওপেন করে । তাই পোস্টের description এর উপর গুরুত্ব দিন ও পোস্টের গুরুত্বপূর্ণ কিছু লাইন পোস্টের description হিসাবে ব্যবহার করুন।
পোস্টে ছবি এড করুন :
পোস্টে ভালো রেঙ্ক পেতে চাইলে অবশ্যই ইমেজ এড করবেন। তবে মনে রাখবেন এড করা ইমেজটি যেন কপিরাইট এর আওতাভুক্ত না হয়। সর্বদা ছবিগুলো ভালোভাবে ডিজাইন করে তারপর আপনার পোস্টে ব্যবহার করবেন।
ব্যবহৃত ছবিতে ট্যাগ দিন ;
ব্যবহৃত পোষ্টের ইমেজের SEO এর জন্য title tag ও alt tag এড করুন। এর ফলে গুগল আপনার ইমেজটিকে ভালোভাবে ট্র্যাক করতে পারবে । এখানে আপনি তৈরীকৃত পোষ্টের সম্বন্ধিত alt tag ব্যবহার করবেন। আর ইমেজটিতে মেইন কি ওয়ার্ড এর পাশাপাশি আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ কিওয়ার্ড এড করে নিন যার ফলে আপনার পোষ্টের ইমেজের SEO ও পোস্টটি রেঙ্ক করাতে সাহায্য করবে।
ইউনিক আর্টিকেল লিখুন :
আপনার ব্লগ পোস্টের জন্য আর্টিকেল লেখার সময় অবশ্যই মাথায় রাখবেন, সেটি যেন সম্পূর্ণ ইউনিক হয়। আর্টিকেল লেখার পর আপনার লেখাটি কারো লেখার সাথে মিল আছে কিনা সেটা নিশ্চিত হওয়ার জন্য Plagiarism Checker দিয়ে আপনার লেখাটি চেক করুন । এর মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনার লেখাটি সম্পূর্ণ ইউনিক হয়েছে কিনা । ইউনিক আর্টিকেল লেখা এসইও ফ্রেন্ডলি ব্লগ পোস্ট লেখারই একটি অংশ ।
ইন্টারনাল লিংক :
ব্লগ পোস্টে ভিজিটরকে একটি পোস্ট থেকে অন্য পোস্টে ট্রান্সফার করার জন্য আপনার ব্লগের অন্যান্য পোস্ট এর লিঙ্ক তৈরীকৃত পোস্টে অ্যাড করার প্রক্রিয়কে বলা হয় Internal linking । এর ফলে যেকোন ভিজিটর আপনার একটি পোষ্ট থেকে অন্য পোস্টে যেতে পারে আর এতে আপনার সাইটের বাউন্স রেট ও ট্রাফিক দুটোই বৃদ্ধি পাবে। আর SEO এর জন্য ইন্টারনাল লিংক ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি আপনার আর্টিকেলকে খুব দ্রুত রেঙ্ক করতে সাহায্য করে।
কিওয়ার্ড রিসার্চ :
ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড রিসার্চ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ।একটি আর্টিকেল লেখার আগে কিওয়ার্ড রিসার্চ করে নেওয়া উচিত । এ কারণেই আপনি যে বিষয়টি নিয়ে লিখছেন তার উপর কিওয়ার্ড রিসার্চ করে এবং সেইকিওয়ার্ড ব্যবহার করেই আর্টিকেল লিখতে হবে । তাহলে মানুষ আপনার আর্টিকেল খুজে পাবে।
পোস্ট শেয়ার :
ব্লগের ভিজিটর বাড়ানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাই পোস্ট করার পর পোস্টটিকে সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন। এতে আপনি প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর পাবেন এবং আপনার পোস্ট যদি মানুষের উপকারে আসে তাহলে পরবর্তী সময়ে এই ভিজিটরগুলোই আপনার সাইট গুগলে খোঁজে বের করবে তাতে আপনার সাইটের রেঙ্ক খুব সহজে বৃদ্ধি পাবে।
পোস্ট URL :
আমরা যখন কোন পোস্টের টাইটেল লিখি তখন তার URL permalink অটোমেটিক জেনারেট হয়ে যায়। কিন্তু এটি SEO এর জন্য মোটেও ভালো নয়। এই জন্য আমাদেরকে পোস্ট URL ম্যানুয়ালি জেনারেট করা উচিত। যখন আমরা পোস্ট এর URL জেনারেট করব তখন পোস্ট URL আমাদের পোস্ট টাইটেল সম্বন্ধিত যেন হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
বড় আর্টিকেল লিখুন :
আপনার পোষ্টের SEO এর জন্য আপনি কত ওয়ার্ডের পোস্ট লিখেন সেটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি আপনি আপনার পোস্ট কম ওয়ার্ডের লিখেন তাহলে এই পোস্টটির রেঙ্ক পেতে অনেক বেশি সময় লেগে যায়। আপনি যখন ব্লগের জন্য আর্টিকেল লিখবেন সেটি যেন কিছুটা বড় হয় অবশ্যই খেয়াল রাখবেন। এর কারণ, গুগল সাধরণত বড় আর্টিকেলকে প্রাধান্য দেয় বেশি । বড় আর্টিকেল লিখতে গেলে সেটিকে তথ্যবহুল করতে হয়। আর এ কারণেই বড় আর্টিকেল গুগলের কাছে র্যাংকিং এর ক্ষেত্রে গুরুত্ব পায় বেশি ।
👁 Related Posts ↴
এই পোস্টে কোনো ভুল/আপডেট থাকলে আমাদের জানান
এই আর্টিকেলে কোনো ভুল তথ্য, বানান ত্রুটি, পুরোনো তথ্য, ভাঙা লিংক, প্রয়োজনীয় আপডেটের অভাব বা অন্য কোনো অসঙ্গতি লক্ষ্য করলে অনুগ্রহ করে সংক্ষেপে জানিয়ে আমাদের সহযোগিতা করুন।
বাটনে ক্লিক করলে আপনার ডিভাইসের ইমেইল অ্যাপ বা Gmail-এ রিপোর্টটি অটো লিখে খুলে যাবে।
রিপোর্ট পাঠানোর জন্য ইমেইল উইন্ডো ওপেন করার চেষ্টা করা হয়েছে। সরাসরি না খুললে ব্রাউজারে Gmail খুলে যেতে পারে (বিশেষ করে কম্পিউটারে)।
আপনার প্রশ্ন দ্রুত খুঁজে পাবেন - নিচে সাধারণ ও কার্যকর সমাধানগুলো দেওয়া আছে।
সাইট-হোম পেইজে যান এবং মেনু বা ক্যাটাগরি লিস্ট থেকে (যেমন : Android Tricks, Mobile Banking, National University ইত্যাদি) পরীক্ষা করুন। অথবা পেজ-এ থাকা Search বা Older Posts ব্যবহার করুন। তবুও না পেলে Contact ফর্মে আপনি যা খুঁজছিলেন সেটি লিখে জানিয়ে দিন - আমরা সাহায্য করবো।
পোস্টের তারিখ চেক করুন - যদি পুরনো হয়, কমেন্ট/মেসেজ করে আপডেটের অনুরোধ দিন। আমরা গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলা নিয়মিত আপডেট করার চেষ্টা করি; নতুন তথ্য থাকলে শেয়ার করুন যাতে আমরা রিভিউ করে আপডেট করতে পারি।
ব্রাউজারের Cache/Cookies ক্লিয়ার করুন এবং আবার চেষ্টা করুন। VPN বা Ad-Blocker চালু থাকলে তা বন্ধ করে দেখুন। সমস্যাটি রয়ে গেলে Contact ফর্মে লিংক ও আপনার ব্রাউজার/ডিভাইস-বিস্তারিত পাঠান - আমরা লিংক যাচাই করে আপডেট দেব।
পোস্টে মন্তব্য করে আপনার প্রশ্ন লিখুন - আমরা বা অন্য পাঠকরা উত্তর দেব। চাইলে Contact ফর্মে বিস্তারিত পাঠিয়ে ব্যক্তিগত নির্দেশনাও চাইতে পারেন। এছাড়া সংশ্লিষ্ট স্টেপ-বাই-স্টেপ আর্টিকেলগুলো দেখে নিতে পারেন।
Contact ফর্মে আপনার আইডিয়া/টপিক পাঠান। যদি সেটা অনেকের দরকার হয়, আমরা পরবর্তী আর্টিকেলে রাখার চেষ্টা করব।
প্রতিটি পোস্টের নিচে Facebook, WhatsApp, Telegram বা Social Share বাটন ব্যবহার করুন। না থাকলে URL কপি করে পাঠিয়ে দিন। শেয়ার করার আগে দয়া করে নিশ্চিত করুন যে কেউ ব্যক্তিগত বা সেনসিটিভ তথ্য পান না।
আর্টিকেলের নিচে থাকা comment/feedback ব্যবহার করুন অথবা Contact থেকে লিংক ও বিস্তারিত পাঠান। আপনার রিপোর্ট পেলে আমরা দ্রুত চেক করে আপডেট বা করেকশন করব - আপনার ফিডব্যাক সবার উপকারে আসে।
0 Comments
post a comment